পায়ের পাখিরা,নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা:- গোসাবার পাঠানখালি গ্রাম পঞ্চায়েতে এবার নতুন করে উঠে এসেছে জাল ডেথ সার্টিফিকেট তৈরির একটি চক্র। গত কয়েকদিন আগে জাল বার্থ সার্টিফিকেট কাণ্ডে তোলপাড় হওয়ার পর, এবার গৌতম সরদার নামে এক অস্থায়ী পঞ্চায়েত কর্মীর বিরুদ্ধে ৫১০টি জাল ডেথ সার্টিফিকেট তৈরি করার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন স্বাস্থ্য দফতরের কাছে ওই সার্টিফিকেটগুলো বাতিল করার জন্য আবেদন জানিয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে পঞ্চায়েত প্রধান ও অন্যান্য কর্মকর্তারা এত দিন ধরে অজ্ঞাত রইলেন একজন অস্থায়ী কর্মীর এমন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে?
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গৌতম সরদার প্রধানের ফোন নম্বরের জায়গায় নিজের নম্বর বসিয়ে ওটিপি নিয়ে এই জাল সার্টিফিকেটগুলো তৈরি করেছিলেন। তাঁকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে। পঞ্চায়েত প্রধান জানিয়েছেন, আরও কোন ধরনের বেনিয়ম পাওয়া গেলে সেগুলোও বাতিল করা হবে।
এদিকে, জাল বার্থ সার্টিফিকেট তৈরির অভিযোগে বাসন্তী থানার পুলিশ রহমতুল্লাহ নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। তিনি একটি নার্সিংহোমের মালিক। গৌতম সরদারকে জেরা করে তাঁর সঙ্গে এই যুবকের যোগাযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। রহমতুল্লাহ এই চক্রের আড়ালে জাল বার্থ সার্টিফিকেট তৈরির কাজে যুক্ত ছিল।
এই দুই চক্রের ঘটনার পর, প্রশাসন তদন্তে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

