নিজস্ব সংবাদদাতা, আরএনবি : আজ থেকে দেশজুড়ে শুরু হল দুই ধাপে জনগণনা এবং পাশাপাশি শুরু হচ্ছে বাসস্থানের গণনাও। তবে যা নিয়ে নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক, তা হল পশ্চিমবঙ্গে শুরু হচ্ছে না এই নতুন জনগণনা।
ডিজিটাল জনগণনা ঘিরে কেন্দ্র-রাজ্য বিতর্ক চলছে। কেন্দ্রের রেজিস্ট্রার জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ জানিয়েছেন, বিষয়টি পশ্চিমবঙ্গকে জানানো হয়েছে, তবুও জনগণনা নিয়ে রাজ্য এখনও কোনো বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি।
কেন্দ্রের দাবি, জনগণনা কেন্দ্রীয় বিষয়। ২০২৭ সালের এই জনগণনা দুই ধাপে হবে, প্রথম ধাপ শেষ করার লক্ষ্য ৩০ সেপ্টেম্বর। এইবারের জনগণনায় বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো,নাগরিকরা নিজস্ব নথিভুক্তকরণ এর সুযোগ পাবেন। ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিজের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। জনগণনায় নথিভুক্ত করার জন্য পরিবারের বিস্তারিত তথ্যের পাশাপাশি বাড়ি ও সম্পত্তির তথ্য ও হিসেব উল্লেখ করতে হবে। এরপর জনগণনার আধিকারিকরা প্রত্যেক বাড়ি গিয়ে সেই তথ্য খতিয়ে দেখবেন। এরপর আবেদনপত্র আর পরিবর্তন করা যাবে না, কারণ তা লক হয়ে যাবে।
১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেনসাস বা জনগণনার এই প্রথম ধাপ চলবে এবং ৪৫ দিনের মধ্যে প্রথম ১৫ দিন থাকবে সেল্ফ-এনুমারেশনের জন্য আর তারপর বাকি ৩০ দিনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করা হবে। যারা নিজেরাই নিজেদের নথি পোর্টালে আপলোড করবেন, তারা ইংরেজি ও ১৫টি ভারতীয় ভাষায় census.gov.in/se/- এ গিয়ে তথ্য আপলোড করবেন। ওটিপি ভিত্তিক ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে সেল্ফ এনুমারেশন করা হবে। তথ্য আপলোড হয়ে গেলে, একটি রেফারেন্স আইডি দেওয়া হবে। কেন্দ্র থেকে পাঠানো প্রতিনিধি বাড়িতে তথ্য যাচাইয়ের জন্য যখন যাবেন, তখন তাকে এই আইডি বলতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের পর এই প্রথমবার জনগণনা হচ্ছে। সাধারণত ১০ বছর অন্তর জনগণনা বা সেনসাস হয়। তবে করোনাকালে জনগণনা হয়নি। ডিজিটাল জনগণনা দেশে এই প্রথম হতে চলেছে। এবারের জনগণনার বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে ১১ হাজার ৭১৮ কোটি।

