নিজস্ব সংবাদদাতা, আর এন বিঃ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি ভারতের স্বাধীনতার পর ভোট আসে ভোট যায়, সরকার বদল হয়, উন্নয়ন ও কল্যাণ অধরা,এজেন গোঁফে খেজুরে, গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল পরস্পর হয়ে চলেছে। হাজারো চেষ্টা চলে কথায়,প্রতিশ্রুতি পূরণ ,, প্রতিশ্রুতি পর প্রতিশ্রুতি চলে কথায় কথায়। নজীরবিহীন অবস্থা দরিদ্র দিন মজুর পরিযায়ী শ্রমিক পরিবারের সদস্যদের বসবাস। কংগ্রেস, যুক্ত ফ্রন্ট, বামফ্রন্ট, তৃণমূল উন্নয়ন ও কল্যাণ অধরা স্বপ্ন দেখায়। ঐতিহ্যবাহী ও ঐতিহাসিক ধর্মস্থান সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের প্রতীক রাজ্যের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের হজরত কোরবান শাহ্ ওলী আউলিয়ার বংশধর হুগলি জেলার রামচন্দ্র পুর, তার পরবর্তী বংশধরদের বসবাস তৎকালীন হাওড়া জেলার আমতা থানার আমতা দুই ব্লকের দক্ষিণ অমরাগড়ি গ্রামে তার পর সরাসরি বর্তমান জয়পুর থানার ঘনশ্যাম চক ওস্তাদ জী পাড়ায় বসবাস তিন,চার বংশ পরম্পরায়। ঘনশ্যাম চক খানকাহ পাক কুল মোশায়খানে তরিকতের জুমলা পীরের আস্তানায়, বাৎসরিক উরুশ মোবারকে ও সারাবছর দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন স্থানের ভক্ত মুরিদান মেহমান ও দর্শনার্থীদের ভিড় জমে, পীরের আস্তানায় সিলসিলা মোতাবেক শিন্নি সালামত অনুষ্ঠিত হয়। পীরে কামেল শাহ্ সূফী সাধক বহু ভাষাবিদ তাত্ত্বিক বিশ্লেষক হজরত সেখ আব্দুল ওয়াহেদ চিশতীয়া কাদেরীয়া তরিকার ঘরানার, গদ্দীনশীন তদীয় খলিফা মেজলা শাহজাদা পীরে কামেল শাহ্ সূফী সাধক বহু ভাষাবিদ তাত্ত্বিক বিশ্লেষক হজরত সেখ মহম্মদ জহুরুল হক চিশতীয়া কাদেরীয়া র মাজার জিয়ারত করতে সারা বছর জুড়ে ভক্তদের ঢল নামে।এহেন অবস্থায় পড়ে আছে উন্নয়ন ও কল্যাণ, অধরা স্বপ্ন দেখায় পাশ দিয়ে চলে ছিঁটে ফোঁটা, ফোঁটা উন্নয়ন ও কল্যাণ কার্যক্রম। এই গ্রাম , এলাকায় একশো শতাংশ দরিদ্র দিন মজুর পরিযায়ী শ্রমিক পরিবারের সদস্যদের বসবাস ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মুসলিম জনগোষ্ঠীর বসবাস দীর্ঘদিনের, স্বাধীনতার আগে থেকেই বসবাস কারীদের উন্নয়ন ও কল্যাণ অধরা থাকছে কিছু গোষ্ঠী ও মুষ্টিমেয় কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনাও রয়েছে উন্নয়ন ও কল্যাণের। সম্প্রতি এই সাইনবোর্ড দেখলে ও এলাকার আমজনতার সঙ্গে মতবিনিময় করলে বোঝা যাবে উন্নয়ন ও কল্যাণ কোথায় কবে,আর কবে আর কবে। এজেন সোনার পাথর বাটি এগিয়ে বাংলা, বাঙালির মুন্সী আনা চলছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জন বলেন বন্যা ও ঝড়,ঝাপটায় দিশেহারা অবস্থায় পড়া কেবল ভুক্ত ভোগীরা জানেন। অবিলম্বে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক,এখান থেকে জয়পুর মোড় পর্যন্ত পাকা, কংক্রিটের পথ ও বাবার মাজারে যাওয়ার পথ নির্মাণ করা হোক, ওস্তাদ জী পাড়ায় বসবাস কারীদের ও ভক্তদের যাতায়াতের সুবিধার্থে।

