নিজস্ব সংবাদদাতা, আরএনবি : ইউনূসের পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় রায় ঘোষণা করেছে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায়।
রায়টি মোট ৪২৩ পৃষ্ঠার, এবং বিচারপতিরা এটি ৬টি অংশে ভাগ করেছেন। শুরুতে রায় পাঠ করেন ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার, পরে বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী রায়ের বিভিন্ন অংশ পড়ে শোনান।
রায়ে বিভিন্ন সাক্ষী ও তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আবেদক শেখ হাসিনার গতিবিধি এবং নির্দেশনা বিশেষ করে তার সাক্ষাৎকার থেকে উদ্ধৃত বক্তব্য, কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা। ট্রাইব্যুনাল বলেছে, নিহত ও আহত আন্দোলনকারীদের ওপর উচ্চ-সক্ষমতা সম্পন্ন অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেন তিনি -যেমন ড্রোন, হেলিকপ্টার ও প্রাণঘাতী অস্ত্র, এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা এবং আওয়ামী লীগের সক্রিয়রা গুলিবর্ষণ করেছিল।
সাক্ষ্যগ্রহণের সময় আদালতের সামনে অডিও ও ভিডিও প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছিল, এবং অনেক ঘটনা-বর্ণনা রায়ে স্থান পায়। সেদিক থেকে, ট্রাইব্যুনাল তার দৃষ্টিকোণ থেকে বলে যে প্রমাণিত হয়েছে যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ওই সংঘটিত হত্যাকাণ্ড পদ্ধতিগত এবং পরিকল্পিত ছিল।

