পূজা মাজী, নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়া :- আরজিকর ঘটনার মতোই আবার দেখা দিল রহস্যময় মৃত্যু । বুধবার রাতে সিঙ্গুরের নার্সিংহোমের চার তলার ঘর থেকে মিতালী জানা নামে এক নার্সের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। বৃহস্পতিবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য শ্রীরামপুর ওয়ালশ হাসপাতাল এ নিয়ে আসা হয় কিন্তু সেখানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। হাসপাতালে গেটের সামনে ভিড় জমায় সিপিএম কর্মী ও মৃতের পরিবাররা। অভিযোগ মর্গের সিসিটিভি ক্যামেরা নষ্ট তালাভাঙ্গা এবং সামনের দিক দিয়ে মৃতদেহ প্রবেশ করানো হয়েছে এই গোটা প্রক্রিয়াকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। সিঙ্গুরে নার্সিংহোমে নার্সের রহস্য মৃত্যু। আরজিকর কাণ্ডে পুনরাবৃত্তি বলে দাবি বিরোধীদের। নার্সের ময়না তদন্ত নিয়ে তথ্য প্রমাণ লোপাট পুলিশের বিরুদ্ধে। এইমস বা আলিপুর কমান্ড হাসপাতালে ময়না তদন্তের দাবি বিজেপির। আপাতত কলকাতা পুলিশের মর্গ থেকে কলকাতা এমস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সূত্রের খবর জানা যায়, ৭:২০ থেকে কলকাতা পুলিশ মর্গ থেকে বেরিয়ে ৮:৪০ নাগাদ কল্যাণী এমসের প্রবেশ করে আনুমানিক সকাল 9:30 বা 9:45 নাগাদ ময়নাতদন্তের কাজ শুরু হয়েছে। এবং ময়না তদন্ত শেষ হয়েছে ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট পরে। এর যে প্রাথমিক রিপোর্ট তা আজ বিকালে বা কাল সকালে পাওয়া যেতে পারে। যেভাবে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল প্রথমে শ্রীরামপুরের ওয়ালশ হাসপাতাল এবং তারপর কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্ত হবে এই কথা জানতে পেরে মৃতের পরিবার কার যত ভয়ানক ভাবে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এবং তারপর তারা এরকম দাবি করতে থাকে তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা চলছে এবং যেভাবে ময়নাতদন্ত করার কথা বা ভাবনা-চিন্তা চলছে তাতে কোন না কোন জায়গাতে ময়না তদন্তে রিপোর্ট প্রভাবিত করার একটা চেষ্টা চলছে এই রকম চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পরিবারের পক্ষ থেকে ওঠে। এবং সেই মুহূর্তে তারা দাবি করতে থাকেন কোন একটি কেন্দ্রীয় হাসপাতাল ওই হাসপাতালেই দেহের ময়না তদন্ত হোক। তাদের সেই দাবিকে মান্যতা দিয়েই ইতিমধ্যেই হুগলি পুলিশ ময়না তদন্তের জন্যই কল্যাণী এমইসতে নিয়ে এসেছেন।

