নিজস্ব সংবাদদাতা, আরএনবি : ভোটার তালিকায় নাম তোলার শেষ দিন আজ, তথ্যের অভাবে অন্ধকারে বহু ভোটার।মঙ্গলবার পর্যন্ত ক’জনের নাম আদৌ ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে? এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।কমিশনের একটি সূত্র দাবি করেছে, ট্রাইবুনাল কী ভাবে কাজ করবে, তার সবিস্তার বিধি (এসওপি) তৈরি হয়েছে সম্প্রতি। সম্ভবত আজ, মঙ্গলবার থেকে শুনানির নোটিস পাঠানোর কাজ শুরু হতে পারে।
আজই যেহেতু ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির শেষ দিন। অথচ পর্যাপ্ত প্রচার ও সচেতনতার অভাবে এখনও বহু যোগ্য নাগরিক বিষয়টি সম্পর্কে অজ্ঞাত, ফলে গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রয়োগ নিয়ে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে একাধিকবার বিজ্ঞপ্তি জারি করা হলেও, গ্রাম থেকে শহর—বহু এলাকাতেই সেই তথ্য সঠিকভাবে পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ উঠছে। ফলে নতুন ভোটারদের একটি বড় অংশ এখনও জানেন না যে আজই নাম তোলার শেষ সুযোগ।
বিশেষ করে প্রথমবার ভোট দিতে চলা তরুণ-তরুণীদের মধ্যে এই অজ্ঞতা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই জানাচ্ছেন, কীভাবে আবেদন করতে হয়, কোথায় ফর্ম জমা দিতে হয় বা অনলাইনে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার পদ্ধতি—এসব বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই তাদের।
স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, যথেষ্ট মাইকিং, প্রচার বা ক্যাম্পের ব্যবস্থা করা হয়নি। ফলে অনেকেই শেষ মুহূর্তে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে, কিছু এলাকায় দীর্ঘ লাইন ও প্রযুক্তিগত সমস্যার কথাও উঠে এসেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল থেকে জটিলতর করে তুলেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হল ভোটাধিকার। তাই এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় আরও সক্রিয় ও বিস্তৃত প্রচার অত্যন্ত জরুরি। না হলে বহু মানুষ তাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগের সুযোগ থেকেই বঞ্চিত হতে পারেন।
শেষ দিনে হুড়োহুড়ি নয়, বরং আগেভাগে সচেতনতা ও সহজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকা সংশোধন হওয়া উচিত—এমনটাই মত সাধারণ মানুষের। এখন দেখার, ভবিষ্যতে এই বিষয়ে কতটা উদ্যোগী হয় প্রশাসন।

