পায়েল পাখিরা, সংবাদদাতা, হাওড়া:- ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছে রাজনৈতিক দলগুলির কৌশল। শাসক দল হোক কিংবা বিরোধী শিবির—সকলেই মূলত ভরসা রাখছে দুটি বিষয়ের উপর: ধর্ম এবং ভাতা।
রাজ্যের শাসক দল সম্প্রতি একাধিক নতুন সামাজিক প্রকল্প চালুর ঘোষণা দিয়েছে। বৃদ্ধ ভাতা, কন্যাশ্রী, কৃষক সম্মান নিধির মতো প্রকল্পগুলিকে আরও সম্প্রসারিত করে জনমনে স্থায়ী ছাপ ফেলতে চায় তারা। বিশেষ করে গরিব, কৃষক ও মহিলাদের ভোট একত্রিত করতেই এই ‘ভাতা রাজনীতি’ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
অন্যদিকে, বিরোধী পক্ষ ধর্মীয় আবেগকে কেন্দ্র করে প্রচার শুরু করেছে। মন্দির নির্মাণ, রামনবমীর মিছিল, এবং সংখ্যালঘু অনুদান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটারদের মন পেতে তৎপর। পাল্টা শাসক দলও বিরোধীদের ‘ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতি’ করার অভিযোগ এনেছে।
নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের মতে, এবারের ভোটে কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য, শিক্ষা বা শিল্প উন্নয়নের মতো বিষয়গুলি অনেকটাই পিছনের সারিতে। একাধিক সমীক্ষা ইঙ্গিত দিচ্ছে, ভাতা ও ধর্ম—এই দুই ইস্যুই মূলত ভোটারদের আচরণ নির্ধারণ করবে।
জনসাধারণের একাংশ মনে করছেন, “প্রতিশ্রুতি অনেক, কিন্তু বাস্তব উন্নয়ন কোথায়?”
এখন দেখার বিষয়, ভোটাররা কি আবেগে ভাসবেন, নাকি বাস্তবতার উপর ভিত্তি করেই রায় দেবেন

