পায়েল পাখিরা, নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়া:- ‘বন্দ্যোপাধ্যায়’ পদবির কোনও ব্যক্তি কীভাবে তফসিলি জনজাতি (ST) হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে পারেন? ২০২৩ সালের মিসলেনিয়াস সার্ভিস রিক্রুটমেন্ট পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর তালিকায় এক সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম দেখে বিস্মিত অনেকেই। কারণ, তাঁর নামের পাশে স্পষ্টভাবে লেখা ‘ST’।
তাতে তোলপাড় শুরু হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় বইতে থাকে। অনেকে প্রশ্ন তোলেন, ব্রাহ্মণ গোত্রের পদবি নিয়েও কীভাবে কেউ তফসিলি জনজাতির শংসাপত্র পেতে পারেন? এমনকি বিজেপি নেতা অনুপম হাজরার কটাক্ষ, “এবার মুখার্জি, চ্যাটার্জিদেরও ভরসা রাখা উচিত!”
চাপের মুখে শুক্রবার PSC জানায়, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ক্যাটেগরি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত ভুয়ো তথ্য পেশ করেছিলেন। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, সমস্ত আসল শংসাপত্র যাচাই করে তাঁর প্রার্থীপদ বাতিল করা হয়েছে। প্রার্থীর রোল নম্বর ১৮০০৫৭৫।
তবে প্রশ্ন উঠেছে—যখন এই প্রার্থী চূড়ান্ত তালিকায় নির্বাচিত হলেন, তখন সেই ভুয়ো তথ্য নজরে এলো না কেন? কেবল অভিযোগ ওঠার পরেই কেন তদন্ত?
এই ঘটনার পর ফের একবার সরকারি চাকরির পরীক্ষায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেক চাকরিপ্রার্থী। কমিশন অবশ্য পুরো দায় চাপিয়েছে প্রার্থীর উপর, দুর্নীতি বা নজরদারির ঘাটতি নিয়ে মুখ খোলেনি।

