সায়ন্তন মন্ডল,নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা; গতকাল মধ্যরাত্রে কলকাতায় ফের এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এবার আগুন লাগল খিদিরপুর বাজারে। স্থানীয়দের কথায়, রাত ১টার আশেপাশে বাজারে এই আগুন লাগে। বাজারের মধ্যে তেলের গুদাম রয়েছে। সেই গুদামে আগুন লাগার ফলেই আগুন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে ও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাদের দাবি, খিদিরপুর বাজারে অগন্তি দোকান রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক দোকানই পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। এদিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ইঞ্জিন। সেখানে এখন আগুন নেভানোর কাজে দমকলের ২০টি ইঞ্জিন মোতায়েন রয়েছে। কিন্তু শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, সকালেও আগুনকে পুরোপুরি দমানো সম্ভব হয়নি। তখনও বাজারের বিভিন্ন অংশে পকেট ফায়ার রয়েছে। আপাতত সেই আগুন নিভিয়ে কুলিং অফ প্রক্রিয়া শুরু করবে দমকল। এদিকে দমকলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, আগুন লাগার খবর পাওয়ার অনেক পরে দমকল ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছে। এদিকে অগ্নিকাণ্ড নিয়ে মুখ খুলেছেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু, তিনি বলেন ‘ফিরহাদ হাকিম সকালে ফোন করেছিলেন। অত্যন্ত ঘিঞ্জি এলাকা, আগুন নেভাতে তাই সমস্যা হচ্ছে। দমকলের ২০টি ইঞ্জিন কাজ করছে। জলের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। কুলিং, পকেট ফায়ারগুলি নেভানোর চেষ্টা করা হচ্ছে এখন। এখানে অনেক দোকান নিয়ম মেনে ঠিকভাবে তৈরি করা হয়নি।’এদিকে কী কারণে এই অগ্নিকাণ্ড, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পরে কুলিং অফ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তারপরই আগুনের কারণ খোঁজার জন্য তদন্ত শুরু হবে। এদিকে শ’য়ে শ’য়ে দোকানে ভস্মীভূত হওয়ায় মাথায় হাত বহু ব্যবসায়ীর। এই আগুনের জেরে বাজারের দোকানদারদের বিপুল ক্ষতি হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে দমকলমন্ত্রী দাবি করেছেন, বাজারের বহু দোকানই নিয়ম বহির্ভূত ভাবে বানানো ছিল। এবার সরকার কাদের ক্ষতিপূরণ বা পুনর্বাসন দেয়, সেই নিয়ে স্পষ্ট ধারণা না থাকলেও এখন সেদিকেই নজর সকলের।

