নিজস্ব সংবাদদাতা:গড়চুমুক চিড়িয়াখানায় এর আগে লেপার্ড বা রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার ছিল না। এবার রাজ্যের অনুমোদন ও পরিকল্পনার পর সেই খামতি পূরণের দিকে এগোচ্ছে গড়চুমুক চিড়িয়াখানা সম্প্রতি নতুন প্রাণীর সংযোজন ও উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে ভিজিটরদের জন্য আরও আকর্ষণীয় হতে চলেছে; রাজ্যের পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি মন্ত্রী ও স্থানীয় বিধায়ক পুলক রায় বনমহোৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে ঘোষণা করেছেন, এবছরের দুর্গা পুজার আগেই এখানে চিড়িয়াখানায় আসবে আসাম মধ্যে লেপার্ড ও হায়না, এবং আগামী দুই মাসের মধ্যে দার্জিলিংয়ের পাদ্মা নদীর হিমালয়ান চিড়িয়াখানার (Darjeeling Zoo) থেকে দুইটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার স্থানান্তরিত হবে, যা গড়চুমুকে এই প্রথমবার টাইগার উপস্থাপনের দিক থেকে ইতিহাস সৃষ্টি করছে; মন্ত্রী আরও জানান, ইতিমধ্যেই গড়চুমুক রাজ্যের মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম চিড়িয়াখানা হিসেবে গড়ে উঠেছে, এবং বড় মাংসাশী প্রাণী বসবাসের জন্য যথাযথভাবে আধুনিক খাঁচা, উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্র ও বন্যজীবী উদ্ধার ব্যবস্থাসহ সার্বিক পরিকাঠামো উন্নয়ন করা হচ্ছে, যাতে আহত বা বিপন্ন প্রাণী দ্রুত ও নিরাপদে উদ্ধার করে রিকভারি ভ্যানে পরিবহণ করা যায় — এই ১৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ের ‘অ্যানিম্যাল রিকভারি ভ্যান’ সম্প্রতি উদ্বোধন করার মাধ্যমে পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় সরকার আরও সক্রিয় হয়েছে; বর্তমানে গড়চুমুক চিড়িয়াখানায় হরিণ, ময়ূর, কুমির, সজারু, পাইথন, ঘড়িয়াল, মেছোবিড়াল, ইগুয়ানা মতো প্রায় ৬০ প্রজাতির প্রাণী রয়েছে এবং নতুন সংযোজনের সঙ্গে মিলিয়ে ভবিষ্যতে এটি পর্যটক, শিক্ষার্থী ও প্রাণীপ্রেমীদের জন্য আরও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে, রাজ্যবাসীর কাছে এটি এক নতুন গন্তব্য হিসেবে জায়গা করে নেবে, পাশাপাশি বনমহোৎসব উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ, অঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সচেতনতামূলক র্যালিসহ ‘গাছ লাগাও, গাছ বাঁচাও’ থিমের মাধ্যমে এই উদ্যোগ পরিবেশ সচেতনতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

