মিতা জানা,নিজস্ব সংবাদদাতা,কলকাতাঃ- গত বছর আরজি কর কাণ্ডের পর নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে একটি ছবিতে অভিনয় করেছিলেন রাজন্যা। এর পর তাঁকে বহিষ্কার করে তৃণমূল। যদিও বের করে দেবার পরেও তৃণমূলের প্রতি অনুগত ছিলেন বলে দাবি রাজন্যার। কসবাকাণ্ডের পর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নানা কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এমনকী AIএর মাধ্যমে বানানো তাঁর নগ্ন ছবি তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতারা ছড়িয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন। এর পরই প্রশ্ন ওঠে, রাজন্যা কেন পুলিশের কাছে না গিয়ে এতদিন চুপ করে ছিলেন? রবিবার এই প্রশ্ন তোলেন ফিরহাদ হাকিমের কন্যা প্রিয়দর্শিনী হাকিম ও অতীন ঘোষের কন্যা প্রিয়দর্শিনী ঘোষ। ওইদিন একটি সংবাদমাধ্যমের স্টুডিয়োয় সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজন্যা। এর পর সোমবার ফের রাজন্যাকে লক্ষ্য করে আক্রমণ তৃণমূলের।
জুঁই বিশ্বাস বলেন, ‘ঘটনাটি আমি তিন চারদিন ধরে টিভির পর্দায় দেখছি। দলের একজন কর্মী, জনপ্রতিনিধি হিসাবে এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। এই ধরনের ঘটার পরেও মহিলাটি এতদিন চুপ করে ছিলেন কেন? তিনি তো একজন শিক্ষিত মহিলা, নেত্রী বলছেন নিজেকে, আর নিজেকেই যদি রক্ষা করতে না পারেন, তাহলে নেত্রী হিসাবে বাকিদের জন্য কী করবেন? প্রশ্ন দুই, তিনি কেন এতদিন চুপ ছিলেন? যৌন হেনস্থা হলে মহিলাদের জন্য দেশে আইন রয়েছে। তিনি আইনের দ্বারস্থ হতে পারতেন।

