নিজস্ব সংবাদদাতা, আর এন বিঃ শিক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধি করে,জাতীয় ঐক্য, সংহতি, সম্পৃতি,সৌভ্রাতৃত্ব , সুখ,শান্তি সুস্থতা,মঙ্গল,সমৃদ্ধি, কামনা করে বিশেষ দোওয়ার মজলিস,মোনাজাত করে ,দেশ ও দেশের জন্য সেবা কর্মের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।পর পর দুই দিন ধরে হাওড়া গ্রামীণ জেলার আমতা দুই ব্লকের জয়পুর থানার অমরাগড়ি জিপির ঘনশ্যাম চক ওস্তাদ জী পাড়ায়,ঘনশ্যাম চক খানকাহ পাক কুল মোশায়খানে তরিকতের জুমলা পীরের আস্তানার তদ্বীয় খলিফা মেজলা শাহজাদা গদ্দীনশীন পীরে কামেল শাহ্ সূফী হজরত সেখ মহম্মদ জহুরুল হক চিশতী কাদেরীর স্মরণে বাৎসরিক উরুশ মোবারক শিন্নি সালামত অনুষ্ঠিত হয়। জাতী ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে আট থেকে আশি আমজনতা ,ভক্ত মুরিদান,মেহমান ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতে ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষায় শান্তির বার্তা দিতে পবিত্র কোরআন শরিফ হাদিস শরীফ ও পীর ফকির দরবেশ ওলীআল্লাহ কেরামের অলৌকিক ঘটনা,আমল থেকে আলোচনা করা হয় বলে জানান সেবাদাতা পৌত্রী সিরাজাম মনিরা। উপস্থিত সকলকে শিন্নি ও তাবারুক দেওয়া হয় বলে জানান সেবাদাতা পৌত্র জনাব সেখ রেজাউল ওয়াহেদ মহম্মদ মনিরুল হক। হোসেন এ্যাসোসিয়েটের কর্ণধার জনাব সেখ নিসার হোসেন আব্দুল আহাদ লাইট বাবু সকলকে উরুশ মোবারকের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন সহ শুভ কামনা করেন। পীরের একমাত্র সন্তান পীরজাদা সেখ রফিকুল ওয়াহেদ মহম্মদ সহিদুল হক বলেন এখানে প্রায় চার, পাঁচ পুরুষ, বংশধর ধরে আছেন,বন্যা কবলিত এলাকায় এই পাড়ায় পীরের আস্তানা, দুই মাজার শরীফ জিয়ারত করতে সারা বছর ধরে দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন স্থানের ভক্ত মুরিদান মেহমান ও দর্শনার্থীরা আসেন অথচ ভারতের স্বাধীনতার পর সাধারণ উন্নয়ন ও কল্যাণ কর্ম এখানে না দেখলে বোঝা যাবে না কি বিচিত্র অবস্থায় আছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন উভয় সরকারের ও সকল প্রকার জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন । না জলকল, টয়লেট,আবাস, আলো , বিদ্যুৎ,পথঘাট আস্তানায়, মাজার জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। বংশধরদের অধিকাংশ দরিদ্র দিন মজুর পরিযায়ী শ্রমিক।

