পায়েল পাখিরা, নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়া:- প্রতি ঘন্টায় বাড়ছে বন্যার জল, আর সেই সঙ্গে বাড়ছে নদীপাড়ের মানুষের দুশ্চিন্তা ও আতঙ্ক। একদিকে নদীর স্রোতের তীব্রতা, অন্যদিকে তীরভাঙনের হুমকি—সব মিলিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন তারা।
নদীর পাড় ভাঙছে একের পর এক, অনেকেই ইতোমধ্যে হারিয়েছেন নিজের ভিটেমাটি। চোখের সামনে দেখছেন কীভাবে প্রজন্মের বসতভিটা, স্মৃতির ঘরবাড়ি ধীরে ধীরে গিলে নিচ্ছে নদী। আতঙ্কে দিন কাটছে, রাতে ঘুম নেই—যেকোনো সময় নদী গিলে ফেলতে পারে জীবনের শেষ আশ্রয়টুকুও।
সরকারি সাহায্যের আশ্বাস মিললেও অনেক সময় তা পৌঁছায় না সঠিক সময়ে। শিশু, বৃদ্ধ, অসুস্থ—সবাই একসাথে লড়ছেন প্রকৃতির এক নির্মম খেলার বিরুদ্ধে।
নদীর গর্জন যেন হয়ে উঠেছে প্রতিনিয়তকার এক ভয়ংকর বার্তা। ভেসে যাচ্ছে ক্ষেত-খামার, ডুবে যাচ্ছে জীবন-জীবিকা। এই দুর্যোগের মুখে নদীপাড়ের মানুষের প্রশ্ন—কবে মিলবে নিরাপত্তা, কবে বন্ধ হবে এই বারে বারে বন্যার বলি হওয়া?
বন্যা শুধু জল নয়, এটি একটি অস্তিত্ব সংকটের নাম।

