মিতা জানা ,হাওড়া:- সারোগেসির নামে অন্যের শিশুকে বিক্রি করা হচ্ছিল একটি ক্লিনিকে। রবিবার পুলিশ সেই ক্লিনিকে হানা দিয়ে গ্রেফতার করে এক চিকিৎসক-সহ ৮ জনকে । ঘটনাটিকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় হায়দরাবাদের নর্থ জোনের গোপালপুরম থানা এলাকায়।এক দম্পতির অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয় তদন্ত। আর তারপরই এই ক্লিনিকের পর্দাফাঁস করে পুলিশ।
সারোগেসির মাধ্যমে এক দম্পতিকে সন্তান দেওয়ার কথা ছিল একজন প্রজনন চিকিৎসকের। অভিযোগ, সম্প্রতি ডাঃ নম্রথা ওই দম্পতির কোলে তাঁদের সন্তানকে তুলে দেন। তারপরেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য। ওনারা দেখেন তাঁদের সঙ্গে ওই শিশুটির ডিএনএ-র কোনও মিল নেই।সন্তানের আশায় ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে গোপালপুরমের ‘ইউনিভার্সাল সুষ্ঠি ফার্টিলিটি সেন্টার’-এ ডঃ নম্রথার কাছে গিয়েছিলেন ওই দম্পতি।অভিযোগ, চিকিৎসক ওই দম্পতিকে আইভিএফ-এর পরিবর্তে সারোগেসির পরামর্শ দেন। সেই সঙ্গে বলেন , ক্লিনিকই তাঁদের জন্য সারোগেট মায়ের ব্যবস্থা করা হবে।কয়েকদিন পর ক্লিনিকের তরফে জানানো হয় সারোগেট মাকে পাওয়া গিয়েছে এবং তাঁর শরীরে ভ্রুণ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
এরপর ঠিক নয় মাস পর এই বছরের জুন মাসে, ওই দম্পতির হাতে ক্লিনিক একটি শিশুকে তুলে দেয়। প্রথমে তাঁরা বুঝতে না পারলেও পরে সন্দেহ হয়। এবং একটি জায়গা থেকে ডিএনএ পরীক্ষা করান দম্পতি। রিপোর্টে দেখা যায়, শিশুটির সঙ্গে তাঁদের কারও ডিএনএ মেলেনি।এরপরেই ক্লিনিকে গিয়ে প্রতিবাদ করেন তাঁরা। সেখান থেকে তাঁদের বের করে দেওয়া হলে পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই দম্পতি।পুলিশ তদন্ত শুরু করতেই উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে বেআইনিভাবে ভুয়ো সার্টিফিকেট দেখিয়ে ক্লিনিক চালাচ্ছিলেন নম্রতা নামের ওই চিকিৎসক।সারোগেসির নামে অন্যের শিশুকে বিক্রি করা হচ্ছিল একটি ক্লিনিকে। রবিবার পুলিশ সেই ক্লিনিকে হানা দিয়ে গ্রেফতার করে এক চিকিৎসক-সহ ৮ জনকে । ঘটনাটিকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় হায়দরাবাদের নর্থ জোনের গোপালপুরম থানা এলাকায়।এক দম্পতির অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয় তদন্ত। আর তারপরই এই ক্লিনিকের পর্দাফাঁস করে পুলিশ।
সারোগেসির মাধ্যমে এক দম্পতিকে সন্তান দেওয়ার কথা ছিল একজন প্রজনন চিকিৎসকের। অভিযোগ, সম্প্রতি ডাঃ নম্রথা ওই দম্পতির কোলে তাঁদের সন্তানকে তুলে দেন। তারপরেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য। ওনারা দেখেন তাঁদের সঙ্গে ওই শিশুটির ডিএনএ-র কোনও মিল নেই।সন্তানের আশায় ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে গোপালপুরমের ‘ইউনিভার্সাল সুষ্ঠি ফার্টিলিটি সেন্টার’-এ ডঃ নম্রথার কাছে গিয়েছিলেন ওই দম্পতি।অভিযোগ, চিকিৎসক ওই দম্পতিকে আইভিএফ-এর পরিবর্তে সারোগেসির পরামর্শ দেন। সেই সঙ্গে বলেন , ক্লিনিকই তাঁদের জন্য সারোগেট মায়ের ব্যবস্থা করা হবে।কয়েকদিন পর ক্লিনিকের তরফে জানানো হয় সারোগেট মাকে পাওয়া গিয়েছে এবং তাঁর শরীরে ভ্রুণ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

