পায়েল পাখিরা, উদয়নারায়ণপুর, হাওড়া:- “কারার ঐ লৌহ কপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট…” — এই প্রতিবাদী আহ্বানে মুখরিত হয়ে উঠল উদয়নারায়ণপুর। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর বিজেপির ধারাবাহিক আক্রমণের বিরুদ্ধে গর্জে উঠল সাধারণ মানুষ। এই ঐতিহাসিক প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন উদয়নারায়ণপুরের গর্ব, তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রদ্ধেয় নেতা ও প্রাক্তন বিধায়ক সমীর কুমার পাঁজা।
সমীরবাবু শুধুমাত্র একজন রাজনীতিক নন— তিনি এই মাটির সন্তান, যিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ রক্ষার লড়াইয়ে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি যেভাবে মানুষের পাশে থেকেছেন, তাঁদের দুর্দিনে সাহস জুগিয়েছেন, তা আজও সকলের মনে গেঁথে আছে। উদয়নারায়ণপুরের প্রতিটি ইঞ্চি জমিতে তাঁর পদচিহ্ন, মানুষের হৃদয়ে তাঁর নাম।
এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বেলগ্রাম থেকে শুরু করে উদয়নারায়ণপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত জনজোয়ার দেখা যায়। তরুণ থেকে বৃদ্ধ—সকলেই অংশ নেন এই প্রতিবাদে, যা পরিণত হয় এক বিশাল গণআন্দোলনে। মিছিল শেষে পথসভায় সমীর কুমার পাঁজা বলেন, “বাংলা ভাষা শুধু আমাদের পরিচয় নয়, আমাদের অস্তিত্ব। বিজেপির বিভাজনের রাজনীতিকে বাংলার মানুষ কড়া জবাব দেবে। বাংলা কখনও মাথা নত করেনি, এবারও করবে না।”
এই কথাগুলোই যেন ছুঁয়ে যায় হাজারো মানুষের হৃদয়। তাঁর গর্জনে সাহস পায় মানুষ, তাঁর নেতৃত্বে তারা পায় দিকনির্দেশ। বাংলার মাটি, বাংলার ভাষা, বাংলার সংস্কৃতি—সব কিছুর রক্ষাকবচ হয়ে উঠেছেন সমীর কুমার পাঁজা। উদয়নারায়ণপুর জানে, এই যুদ্ধে যদি কেউ নেতৃত্ব দিতে পারেন, তবে তিনি একমাত্র সমীরবাবুই।
এই আন্দোলন শুধু বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ নয়, এটি ছিল এক বাঙালির চেতনার পুনর্জাগরণ — যার পুরোভাগে ছিলেন সমীর কুমার পাঁজা

