পায়েল পাখিরা, নিজস্ব সংবাদদাতা আরএনবি: নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই রাজনীতির ময়দানে বাড়ছে উত্তাপ। ২৬শে নির্বাচনের আগেই রাজ্যে বিজেপির অন্দরমহলে শুরু হয়েছে ব্যাপক ভাঙন। অনেক নেতা-কর্মী প্রকাশ্যে দলত্যাগ করছেন, কেউ যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলে, কেউ আবার রাজনীতির ময়দান থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটেই শাসকদলের তরফে উঠে আসছে কড়া বার্তা—”এবার ডুগডুগি আমরাই বাজাবো।”
একটি জনসভায় তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতা কটাক্ষ করে বলেন, “সাড়ে চার বছরে এলাকায় কোনও কাজ করেননি বিজেপির বিধায়ক। আজ মানুষের কাছে মুখ দেখানোর জো নেই। সেই কারণেই তারা এখন এলোমেলো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এখন যারা দল ছাড়ছেন, তারা বুঝে গিয়েছেন—বিজেপির ভাঙা হাল দিয়ে আর কিছু হবে না।”
তিনি আরও যোগ করেন, “গতবার ওরা ডুগডুগি বাজিয়ে মানুষকে ভুলিয়ে ভোট নিয়েছিল। এবার আমরা মানুষের কাজ করে দেখিয়েছি। তাই এবার ডুগডুগি বাজাব আমরা, আর সেটা হবে উন্নয়নের, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রতীক।”
বিজেপির ভাঙনের খবর সামনে আসতেই তৃণমূল শিবিরে যেন এক নতুন জোয়ার এসেছে। একের পর এক নেতা-কর্মীর তৃণমূলে যোগদানের খবর পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে, বিজেপি নেতারা প্রকাশ্যে কিছু বলতে না চাইলেও অস্বস্তি স্পষ্ট।
তৃণমূল নেতৃত্বের মতে, রাজ্যের মানুষ এখন আর কোনও “তীব্র সংকেত” চান না। তারা চায় স্থিতি, উন্নয়ন ও পরিষেবা। বিজেপি শুধু বিভাজনের রাজনীতি করেছে, আর মানুষের সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দেয়নি বলেই তারা একঘরে হয়ে পড়েছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ভাঙন নির্বাচনের আগে বিজেপির জন্য বড় ধাক্কা হতে চলেছে। তৃণমূলের “ডুগডুগি” বক্তব্য যে শুধুই প্রতীকী নয়, তা বোঝাতে শাসকদল এখন মাঠে নেমে পড়েছে নতুন উদ্যমে।

