পূজা মাজী, নিজস্ব সংবাদদাতা,হাওড়া:- অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে নানান জায়গায় তৈরি হচ্ছে রোগ জীবাণু । বৃষ্টির জল নানা স্থানে জমাট বাঁধে যেমন – ভাঙ্গা পাত্র, টায়ার, ফুলের টব, নর্দমা ইত্যাদি মশা জন্মানোর আদর্শ স্থান। বৃষ্টির জল জমার কারণে মশা ও মাছির বংশবৃদ্ধি ঘটে, যা রোগের বিস্তার ঘটায়। ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়ার মতো রোগের জীবাণু বহন করে।
মশা-মাছির সংখ্যা বাড়ে, যা খাদ্য ও পানীয়ের মাধ্যমে রোগ ছড়াতে পারে। দূষিত জলের সংস্পর্শে আসা খাবার খেলে কলেরা, টাইফয়েড, ডায়রিয়ার মতো রোগ হতে পারে।আবার জমে থাকা জল গর্ত, জলাবদ্ধ রাস্তা এবং খোলা পাত্র বৃষ্টির পানিতে ভরে যায়, যা মশার প্রজননের জন্য আদর্শ স্থান তৈরি করে। উচ্চ আর্দ্রতা সম্পূর্ণ পরিবেশে মশা বৃদ্ধি ঘটে, যা সাধারণত বর্ষাকালে ঘটে। আবার সীমিত সূর্যালোক যা মেঘলা আবহাওয়া স্থির জলের বাষ্পীভবনকে ধীর করে দেয়, যার ফলে মশাদের বংশবৃদ্ধির জন্য আরও সময় পাওয়া যায়।
জলবাহিত রোগ থেকে বাঁচতে আমরা নানা রকম ব্যবস্থা নিতে পারি যেমন জমা জল নিষ্কাশন বাড়ির আশেপাশে বা ছাদে কোথাও জল জমতে না দেওয়া, যাতে মশা জন্মাতে না পারে।এবং চারিদিক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা, বিশেষ করে শৌচাগার ও রান্নাঘরের আশেপাশে।পানীয় জল ফুটিয়ে পান করা বা পরিশোধন করে পান করা উচিত। খাবার সবসময় ঢেকে রাখা উচিত, যাতে মাছি না বসতে পারে।
মশা তাড়ানোর জন্য মশার কয়েল, স্প্রে, বা মশারি ব্যবহার করা যেতে পারে। যদি রোগের উপসর্গ দেখা দেয় দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বর্ষা ঋতু পরিবেশকে এমনভাবে পরিবর্তন করে যা প্রাকৃতিকভাবে মশার বংশবৃদ্ধির পক্ষে সহায়ক।বৃষ্টির জল জমার কারণে মশা ও মাছির উপদ্রব বাড়ে, যা বিভিন্ন জলবাহিত রোগ যেমন ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া,

