নিজস্ব সংবাদদাতা,আরএনবি: শনিবার সকালে পশ্চিমবঙ্গ সফরে কলকাতায় আসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।সকাল ১০টা ৩৩ মিনিটে তাঁর বিশেষ বিমান নামার পরই রাজ্যের পক্ষ থেকে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ।
এর পর সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে রানাঘাটের তাহেরপুরের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।ঐতিহ্যবাহী মতুয়া অধ্যুষিত অঞ্চলে ‘পরিবর্তন সংকল্প সভা’-তে যোগ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর।তবে ঘন কুয়াশার কারণে রানাঘাটের নির্ধারিত হেলিপ্যাডে অবতরণ সম্ভব হয়নি। নিরাপত্তার স্বার্থে হেলিকপ্টারকে কলকাতায় ফিরিয়ে আনা হয়। পরে সড়কপথে তাহেরপুর যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও,তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।এ বিষয়ে এসপিজি এবং রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক চলছে।
ইতিমধ্যেই তাহেরপুরের নেতাজি পার্কে পৌঁছে গেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।জনসমাগম বাড়তে শুরু করেছে।মঞ্চে বক্তব্য রেখেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেছেন,“পশ্চিমবঙ্গ বিকশিত না হলে ভারত সম্পূর্ণ বিকশিত হবে না।তাই ২০২৬ সালেই সেই পথ প্রস্তুত করবে বিজেপি।”প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,ছয় বছর আগেও একই মাঠে সভা করেছিলেন মোদি।সে বার তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সিএএ পাস করিয়ে উদ্বাস্তুদের স্থায়ী নাগরিকত্বের পথ খোলা হবে।বিজেপির দাবি,সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়েছে।এবার ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (এসআইআর)এর আবহে ফের তাহেরপুর সফর প্রধানমন্ত্রীর।সভামঞ্চ থেকেই প্রায় ৩,২০০ কোটি টাকার জাতীয় সড়ক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করার কথা মোদির।এর মধ্যে রয়েছে -১২ নম্বর জাতীয় সড়কের কৃষ্ণনগর – বড়জাগুলি পর্যন্ত ৬৮ কিমি অংশ চার লেনের কাজ সম্পূর্ণ। তারই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।বারাসত – বড়জাগুলি পর্যন্ত প্রায় ১৮ কিমি অংশকে চার লেন করার কাজ শুরু -শিলান্যাস করবেন মোদি।এই সফরকে কেন্দ্র করে প্রশাসন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কড়া নজরদারি জারি রাখা হয়েছে।

