নিজস্ব সংবাদদাতা, আরএনবি: সঙ্ঘ পরিচালিত শিক্ষক সংগঠন ” অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘ ” – র হাওড়া জেলা সম্মেলন শরৎ সদনের এক নাম্বার হলে মহাসমারোহে উৎযাপিত হলো।ভারতীয় ঐতিহ্যের পরম্পরা মেনে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ ও প্রদীপ প্রজ্বলন এবং দেবী সরস্বতী বন্দনা ও ভারতমাতার প্রতিকৃতিতে মাল্যদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভসূচনা করেন ইনস্টিটিউট অফ কালচার গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশনের প্রাক্তন সম্পাদক পরম পূজনীয় শ্রীমৎ স্বামী সুপর্নানন্দজী মহারাজ। সঙ্গে সহযোগিতার ঊষ্ণপরশ পরিয়ে দেন সংগঠনের রাজ্য সহসভাপতি চন্দ্রশেখর সিং।কলকাতার বর্ষিয়ান স্বয়ং কার্যবাহ আলোক চট্টৌপাধ্যায়, হাওড়া নগর ও গ্রামীণ সহকার্যবাহ নৃপেন সামন্ত, ভীষ্মদেব মণ্ডল, এবং তমলুক বিভাগ কার্যবাহ দীপঙ্কর নস্কর,বর্ধমান নগর কার্যকর্তা শান্তূনু স্যার, হাওড়ার প্রশান্ত ভট্ট, সঞ্জয় বসু, অশোক জয়সওয়াল প্রমুখ বিশিষ্ট জন। মধ্যমণি জেলা সভাপতি মিণ্টু চক্রবর্তী ও সম্পাদক ড: সচ্চিদানন্দ দাস ভারতীয় ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণ প্রসঙ্গে তথ্যবহুল অভিভাষণে ” অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈখিক মহাসঙ্ঘ ” -র ভূমিকা প্রাঞ্জলভাবে ব্যাখ্যা করেন।
এই সংগঠনে শিক্ষক শিক্ষিকা ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গের প্রত্যক্ষ সংযোগের ভূমিকা তুলে ধরেন।সেইসঙ্গে রাজ্য সহসভাপতি চন্দ্রশেখর সিং ও প্রত্যেক কার্যকর্তার বক্তব্যে পরিষ্কার একটা চিত্র উঠে আসে যে, ” অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈখিক মহাসঙ্ঘ ” নিছক একটা ব্যক্তি স্বার্থ পূরণের কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়।
এটি ভারতীয় ঐতিহ্য,সংহতি, ও ভারতীয়ত্বের প্রসার প্রচার ও সাংস্কৃতিক শেকড় সন্ধানে নিয়োজিত উৎস্বর্গীকৃত অরাজনৈতিক সংস্থা। অনুষ্ঠানের সর্বত্রই নজর কাড়া আবেদন। প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক সংস্বর্গহীনতাও। অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘের জেলা সম্মেলন ‘ সূচনাতেই সূক্ষ কিন্তু তীক্ষ্ণতম চেতনার তাঁত বুনে দিয়েছেন’ বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট কবি সাংবাদিক স্বপন নাথ ।


