নিজস্ব সংবাদদাতা,আরএনবি: হাওড়ার বালি এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় এক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসককে কাটারি দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল তাঁরই পরিচারিকার বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বালির জিটি রোডে গঙ্গার ধারের একটি আবাসনের দু’টি ফ্ল্যাটে ছেলেকে নিয়ে থাকতেন রামকৃষ্ণ। মা এবং স্ত্রী থাকতেন ডানকুনির বাড়িতে। হোমিওপ্যাথ চিকিৎসক হিসাবে বালিতেই চেম্বার চালাতেন তিনি। স্থানীয়দের কাছে পরিচিত মুখ ছিলেন। পুলিশের তথ্যানুসারে , পরিচারিকা তপতীকে জেরা করে আপাতত যা জানা গিয়েছে, রান্নাবান্নার প্রয়োজনে বছর দেড়েক আগে ওই পরিচারিকাকে রেখেছিলেন রামকৃ্ষ্ণবাবু। তিনি রান্নার পাশাপাশি গৃহ সহায়িকা হিসাবে ঘরের অন্যান্য কাজেও সাহায্য করতেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে খাওয়ার জন্য ছেলে বাবার ফ্ল্যাটে ঢুকতেই রামকৃষ্ণকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন বলে মৃতের দাদা শ্রীধর চালকি পুলিশকে জানান।
শুক্রবার ধৃত পরিচারিকাকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময়ে সাংবাদিকরা তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, ‘খুন করলেন কেন?’ উত্তরে তপতী বলে ওঠেন, ‘একজন রেপিস্টকে, একজন…’। এরপর তাঁকে ধমক দিয়ে থামিয়ে দেন মহিলা পুলিশকর্মীরা।পরিচারিকার সঙ্গে মৃতের কোনও গোপন সম্পর্ক ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। তবে রামকৃষ্ণবাবুর দাদা শ্রীধর চালকি অবশ্য বলেন, ‘মনে হচ্ছে ব্ল্যাকমেলিংয়ের জন্যই খুন। টাকাপয়সা চেয়েছিল। না পেয়ে খুন করেছে। কাটারি দিয়ে কুপিয়ে খুন করেছে।’পুলিশ এই বিষয়ে বিশদ অনুসন্ধান চালাচ্ছেন। আশা করা যায় খুব তাড়াতাড়ি ই সত্য উন্মোচিত হবে এবং অভিযুক্তর বিচার হবে।

