মিতা জানা , নিজস্ব সংবাদদাতা,আরএনবি :প্রথমে স্বাসরোধ করে খুন এর পর নিহত দেহ ঘরের সিলিং-এর একটি লোহার আংটা থেকে দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে দেন৷অভিসন্ধি ছিল খুনের ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানো।
কিশোরী কন্যাকে খুন করে সেই হত্যাকে আত্মহত্যা বলে দেখানোর চেষ্টা করলেন বাবা৷এমনই চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে মহারাষ্ট্রের দভলওয়াড়ি গ্রামে৷ অভিযোগ, গত ৫ সেপ্টেম্বর ঘুমন্ত মেয়েকে খুন করেন ওই ব্যক্তি৷ বদনাপুর থানার ইন্সপেক্টর গণেশ সারভাসে জানিয়েছেন ,অভিযুক্ত খুনি যোগদণ্ড তাঁর মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি৷বাড়িতে অশান্তি সত্ত্বেও মেয়ে গোপনে চালিয়ে যাচ্ছিল প্রেম।তার জেরেই এমন ঘৃণ্যতম কাজ করলেন মৃতার বাবা। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের ধারণা, ঘুমন্ত সপ্তদশী কে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে৷
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,অভিযুক্ত বাবা নিহত মেয়ের দেহ ঘরের সিলিং-এর একটি লোহার আংটা থেকে দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে দেন৷ তাঁর অভিসন্ধি ছিল খুনের ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর৷ ওই গ্রামে অভিযুক্ত যোগদণ্ডের দু’টি বাড়ি আছে বলে যায়৷ তার মধ্যে একটিতে তিনি তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে থাকেন৷ অন্য বাড়িতে যোগদণ্ডের মা অর্থাৎ নিজের ঠাকুমার সঙ্গে থাকত তার একমাত্র মেয়ে৷ প্রসঙ্গত যোগদণ্ডের তিন সন্তানের মধ্যে মেয়েই সবথেকে বড়৷
অভিযোগ, শুক্রবার রাত ১০ নাগাদ নিজের দ্বিতীয় বাড়িতে গিয়ে ঘুমন্ত মেয়েকে খুন করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি৷ ময়নাতদন্তের রিপোর্টে শ্বাসরোধের প্রমাণ মিলেছে৷ তারপর থেকেই অভিযুক্তকে নজরদারিতে রেখেছিল পুলিশ৷পরবর্তী সময়ে পুলিশের জেরায় নিজের অপরাধ স্বীকার করেন ওই ব্যক্তি৷ গ্রেফতারের পর তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়৷ আপাতত পুলিশ হেফাজতে আছেন অভিযুক্ত৷

