সুইতা পাল, নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়া: কাঁকুড়গাছিতে খুন হন বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশের পর । অভিজিৎ সরকারের খুনের মামলায় ৩১ জুলাই পর্যন্ত জেল হেফাজতে পাঠানো হল নারকেলডাঙা থানার প্রাক্তন ওসি শুভজিৎ সেনকে। এর সঙ্গে সাব ইন্সপেক্টর রত্না সরকার ও হোমগার্ড দীপঙ্কর দেবনাথকেও পাঠানো হয়েছে জেল হেফাজতে।
পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেছিলেন, ‘রক্ষকই যদি ভক্ষক হয় তাহলে সমাজ কী করবে।’ অভিজিৎ সরকারের খুনের মামলায় চার বছর পরে এসে সম্প্রতি অতিরিক্ত চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। মোট ১৮ জনের নাম রয়েছে তাতে। অভিযুক্ত তালিকায় নাম ছিল তৎকালীন ওসি শুভজিৎ সেন (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত), সাব ইন্সপেক্টর রত্না সরকারদের। এই আবহে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন বিচারক।
এই মামলায় অভিযুক্ত বিধায়ক পরেশ পাল, কাউন্সিলর স্বপন সমাদ্দার ও পাপিয়া ঘোষকে আগামী ১২ অগস্ট সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দেন বিচারক ।শুভজিৎ সেন, সাব ইন্সপেক্টর রত্না সরকার ও হোমগার্ড দীপঙ্কর দেবনাথ জামিনের আবেদন করেছিলেন। কিন্তু তা খারিজ করে চলতি মাসের শেষ দিন পর্যন্ত জেল হেফাজতেরর নির্দেশ দেয় আদালত।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ২ মে ভোটের ফল ঘোষণার দিনেই কাঁকুড়গাছির বাসিন্দা বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ । পরিবারের দাবি, তাঁকে পিটিয়ে, তারপর গলায় কেবল তার পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। আবার সেই সময় অভিজিৎয়ের মা মাধবী দেবী ও দাদা বিশ্বজিৎ সরকারের উপরেও হামলার অভিযোগ ওঠে। প্রথমে কয়েক জনকে গ্রেফতার করা হলেও, বেশ কয়েক জন অভিযুক্ত অধরাই থেকে গিয়েছিলেন।

