পূজা মাজী, নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়া :-কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের বাংলাদেশে ডিপোর্ট করার বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চাইল কলকাতা হাই কোর্ট। জানতে চাওয়া হয়েছে, দিল্লি থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের কি বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে? এছাড়া এই ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে দিল্লি ও ওড়িশার মুখ্যসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত।
অবৈধ অভিবাসী অভিযোগে বিগত দিনে দিল্লিতে আটক করা হয়েছে অনেককে। তাদের অনেককেই বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ উঠছে, এদের মধ্যে অনেকেই পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিক। এই আবহে কলকাতা হাই কোর্টে মামলাও হয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়ল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।
ওড়িশার মুখ্যসচিবকে কিছু প্রশ্ন করতে বলা হয়েছে।যেমন রাজ্যকে ভিনরাজ্যে কীসের ভিত্তিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের আটক করা হয়েছে? আটক পরিযায়ীদের বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল কি না? এদিকে আটক হওয়া পরিযায়ীদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে?সেই জবাব দেখে আদালত ওড়িশার ঘটনায় পরবর্তী পদক্ষেপ করবে। অবশ্য ওড়িশায় আটক কোনও পরিযায়ীকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।
সম্প্রতি ওড়িশায় বাংলাদেশি অভিযোগে ২০০ পরিযায়ী শ্রমিককে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এর আগে দিল্লি, গুজরাট, মহারাষ্ট্রের মতো বহু রাজ্য থেকে পরিযায়ীদের আটক করে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই আবহে দিল্লি ও ওড়িশার পরিযায়ীদের আটক কা নিয়ে মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামলা শুনছে তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি ঋতব্রতকুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চ।

