পায়েল পাখিরা, হাওড়া:- নিম্নচাপের দাপটে একটানা বর্ষণে কলকাতা যেন হাঁটু জলে স্থবির—চিৎপুর থেকে বড়বাজার, বিধান সরণী থেকে দক্ষিণের অলিগলি—সর্বত্র শ্রাবণের নীল বিষাদ। অথচ এই একই শ্রাবণ, শান্তিনিকেতনে এসে যেন এক নতুন রূপ পায়। শহরের সিমেন্ট-কংক্রিট আর ট্রাফিকের ক্লান্তির বিপরীতে মাটির কাছাকাছি শান্তিনিকেতন ভিজে ওঠে এক অন্য অনুভবে। এখানে বৃষ্টি মানেই শুধু জলে ভেজা নয়, বরং রঙিন স্মৃতির ছায়াপথে হাঁটা।
এই বর্ষার সৌন্দর্য আর শান্তিনিকেতনের আত্মা মিলেমিশে এক হয়ে উঠবে আসন্ন এক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায়—যেখানে গান, কবিতা, আর স্মৃতির ভাষায় ধরা পড়বে বর্ষার শান্তিনিকেতন। পাঠভবনের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরা—গায়ক প্রিয়ম মুখোপাধ্যায়, গায়িকা ঋতপা ভট্টাচার্য ও রঞ্জিনী মুখোপাধ্যায়—তাঁদের কণ্ঠে শোনাবেন আম্রকুঞ্জ, শালবীথি, বকুলবীথির বর্ষাধ্বনি। রবীন্দ্রনাথের রচনার ছায়ায়, সেই বৃষ্টিভেজা পথেই ফিরে দেখা হবে শান্তিনিকেতনের।
শুধু সঙ্গীত নয়—শান্তিনিকেতনের বর্ষার দিনগুলি, বৃক্ষরোপণের

