সুইতা পাল, নিজস্ব সংবাদদাতা, আরএনবি : আজ বিশ্ব খাদ্য দিবস। এবং রাজ্য সরকার মানুষের পাশে থেকে খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে কাজ করছে। রাজ্য সরকার কোটি কোটি মানুষের জীবনে নিরাপত্তা ও নিশ্চিন্ততা এনে দিয়েছে।
রাজ্যের প্রায় ৯ কোটির বেশি মানুষ রেশন ব্যবস্থায় মাধ্যমে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই প্রকল্পের ফলে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দরিদ্র ও প্রান্তিক শ্রেণির পরিবারগুলিও নিয়মিত খাদ্য পাচ্ছেন।
এর মধ্যে জঙ্গলমহলের এলাকাবাসী, সিঙ্গুরের অনিচ্ছুক কৃষক – পরিবার, আয়লায় দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, চা-বাগানের শ্রমিক পরিবার, টোটো পরিবার এবং পাহাড়ি অঞ্চলের সাধারণ মানুষ সকলেই পাচ্ছেন বিশেষ প্যাকেজ । এই উদ্যোগের ফলে দূরবর্তী ও দুর্গম এলাকার বাসিন্দারাও খাদ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন না।
প্রতিমাসে রাজ্যে প্রায় ৭.৫ কোটির বেশি মানুষ “দুয়ারে রেশন” প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁদের বাড়ির দরজায় রেশন পাচ্ছেন। এই প্রকল্পে রেশন দোকানে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ছে না খাদ্যশস্য পৌঁছে যাচ্ছে সরাসরি মানুষের হাতে। যারা এই সুবিধা নিচ্ছেন না, তারাও নিজেদের পছন্দমতো রেশন দোকান থেকে খাদ্যশস্য সংগ্রহ করতে পারছেন।
উৎসবের সময়েও রাজ্য সরকার মানুষের পাশে রয়েছে। দুর্গাপূজা, দীপাবলি/কালীপূজা, ছটপূজা, রমজান মাস ও ঈদ উৎসবের সময় অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা (এ এ ওয়াই) ও বিশেষ প্রায়োরিটি হাউসহোল্ড শ্রেণির পরিবারগুলিকে চিনি, ময়দা এবং (রমজান মাসে) ছোলা ভর্তুকি মূল্যে দেওয়া হয়, যাতে উৎসবের আনন্দ সবার ঘরে পৌঁছায়।
খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি রাজ্য সরকার কৃষকদের দিকেও সমান নজর দিয়েছে। রাজ্যের প্রায় ১৬.৫০ লক্ষ কৃষকবন্ধু এই বছর ৫৬ লক্ষ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ধান ন্যায্যমূল্যে সরকারের কাছে বিক্রি করেছেন “খাদ্য সাথী” প্রকল্পের মাধ্যমে। এর ফলে কৃষকেরা ন্যায্য দাম পাচ্ছে।

