মিতা জানা ,হাওড়া:- সম্পর্কের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা বজায় রাখা একটি জটিল বিষয়।সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে গেলে গোপনীয়তার অবশ্যই প্রয়োজন।তবে খুব বেশি গোপনীয়তা সম্পর্কে ফাটল ধরাতে পারে।আবার একেবারে খোলামেলা নিজের ব্যক্তিগত পরিসর নষ্ট করে দেয় ।সবাই তাকে সস্তা মনে করতে থাকে।তাই সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে গেলে গোপনীয়তা আর খোলামেলার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা দরকার। ইদানিংকালে কিছু মানুষ আছে ,যারা দুর্বল জায়গায় আঘাত করে তার জীবনকে ধ্বংস করে দেয়। বিশ্বাস জিনিস টা যেন বাংলা অভিধান থেকে উঠে গেছে।তাই কাউকে বিশ্বাস করে সব কিছু তার ওপর ছেড়ে দিলে বেশি করে বিষয় গুলো জটিল হয়ে যায়। অন্য দিকে গোপনীয়তার রক্ষার নামে সঙ্গীর কাছ থেকে বেশি কিছু লুকালে সেটার থেকে জন্ম নেয় অবিশ্বাস আর সন্দেহ।দুজনের পছন্দের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হলে সম্পর্ক তিক্ত হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে আলোচনা করে নিতে হবে কোন বিষয়গুলো গোপন রাখা উচিত আর কোনগুলো নয়।একে অপরের প্রতি বিশ্বাস আর ভরসা রাখাটা খুব জরুরি ।কোনো বিষয় নিয়ে সন্দেহ হলে সাথে সাথে সেটা আলোচনা করে সমাধান করা উচিত । তৃতীয় ব্যক্তির সাহায্য নেওয়ার আগে সঙ্গীর অনুমতির প্রয়োজন । সেটা যদি না করা হলে সঙ্গীর গুরত্ব কমে যায়। এমনও হতে পারে ওই তৃতীয় ব্যক্তিই দুজনের সম্পর্কের মধ্যে ফাটল ধরিয়ে দিল। তার কারণ কারো ভালোটা কেউ সহ্য করতে পারে না। ফলে সেটা আর জোড়া লাগানো সম্ভব নাও হতে পারে। এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে কোনো মনোবিদের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।যিনি সম্পর্ককে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারবেন।
সর্বোপরি,সঙ্গীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে, খোলামেলা আলোচনা ও পারস্পরিক বিশ্বাসের মাধ্যমে একটি সুস্থ সম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভব।

