নিজস্ব সংবাদদাতা, আরএনবি: গড় ভবানীপুর রানী ভবশঙ্করী স্মৃতিমেলা এ বছর যেন এক অনন্য উৎসবের রূপ নিয়েছে। মেলার প্রাঙ্গণে পা রাখলেই চোখে পড়ছে মানুষের ঢল শিশু থেকে প্রবীণ, সকলের উপস্থিতিতে এলাকা হয়ে উঠেছে প্রাণবন্ত ও মুখর। নানা রঙের আলোর সাজ, হস্তশিল্পের স্টল, খাবারের সম্ভার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সমাহারে মেলাটি পরিণত হয়েছে এক মিলনমেলায়।
এই স্মৃতিমেলার মূল অনুপ্রেরণা ও উদ্যোগের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে যাঁর নাম সর্বাগ্রে উচ্চারিত হচ্ছে, তিনি হলেন এলাকার প্রাণপুরুষ সমীর কুমার পাঁজা মহাশয়। দীর্ঘদিন ধরে সমাজের কল্যাণে তাঁর নিরলস পরিশ্রম ও আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই এই মেলা আজ এত সাফল্যের মুখ দেখেছে। রানী ভবশঙ্করীর স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এমন সুন্দর মেলবন্ধন ঘটানো সত্যিই প্রশংসনীয়।
মেলায় স্থানীয় শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলির অংশগ্রহণ বিশেষ আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে। লোকসংগীত, নৃত্য ও নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে বাংলার সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ীদেরও এই মেলা নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে।
সমীর বাবুর এই উদ্যোগকে এলাকাবাসী সর্বসম্মতিক্রমে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাঁদের বিশ্বাস, এই স্মৃতিমেলা শুধু একটি উৎসব নয়, বরং সামাজিক ঐক্য, সাংস্কৃতিক চেতনা ও ঐতিহ্য রক্ষার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ গড় ভবানীপুরকে আরও সমৃদ্ধ করবে এমনই আশা সকলের।

